মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

মদ্রিচের নামটা মনে রাখবেন

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২২
44258413_605

খেলাটা ব্রাজিল ক্রোয়েশিয়ার যতোটা, তার চেয়েও বেশি ছিল লুকা মদ্রিচ বনাম ব্রাজিলের। কারণ, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, নেইমার জুনিয়র, রিচার্লিসন, রদিগ্রো সবার বিপক্ষে মাঠজুড়ে লড়েছেন লুকা মদ্রিচ।

১২০ মিনিট আর টাইব্রেকার; কোনো কিছুতেই টলানো যায়নি মদ্রিচকে। ক্রোয়েশিয়ার এই জয়ের আরও একজন নায়ক আছে তিনি দলটির গোলকিপার। তবুও মদ্রিচ তো কাপ্তান, তিনি মাঠের লড়াকু সৈনিক এবং তিনিই পরিকল্পনার মাস্টার মাইন্ড।

অথচ ‘বুড়ো’ মদ্রিচকে শুরুতে কেউ গোনাতেই রাখতে চায়নি। অথচ তার দলই ফেবারিট ব্রাজিলকে টুর্নামেন্ট থেকে বের করে দিয়েছে।
আর মাঠের ১৩০ মিনিটে কখনো নিচে, কখনো মিডফিল্ডে আবার আক্রমণ; একাই সব করেছেন মদ্রিচ। তিনি পাস দিয়েছেন ৯০.৫২ শতাংশ। সব মিলিয়ে সম্পন্ন করেছেন ১০৫টি পাস। বল তার পা স্পর্শ করেছে ১৩৯ বার।

সার্বিয়ার আগ্রাসনে ১৯৮৫ সালে মদ্রিচ পালাতে বাধ্য হন। তার জন্মস্থান ক্রোয়েশিয়ার জাদারে। মদ্রিচের দাদাকে মেরে ফেলে শত্রুরা। মদ্রিচের বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীর কার মেকানিক। মা ছিলেন টেক্সটাইলশ্রমিক। খাবারের অভাব আর অনিশ্চয়তা ছিল তার নিত্যসঙ্গী।

যুদ্ধের যাতনা ভুলতেই বলে পা রাখলেন মদ্রিচ। যদিও সেখানে বাধা ছিল লিকলিকে শরীর। কথিত ফুটবলের ট্রাডিশন যাকে স্বীকার করতে চাইলো না। তবে কঠোর পরিশ্রমে মদ্রিচ প্রমাণ করলেন মনে জোর থাকলে শরীরের শুকনোভাবে কিছু যায় আসে না।

২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়াকে বিশ্বকাপের ফাইনালে নিয়ে যান মদ্রিচ। জিতে নেন গোল্ডেন বল। ব্যালন ডি’অরও আছে ঝুলিতে। এবার ৩৭ বছরের মদ্রিচ অনবদ্য, অনন্য। লিওনেল মেসিদেরও তিনি নাড়িয়ে-চাড়িয়ে দিতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর