শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন

৭৫০ শয্যার সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
306528345_657199645769112_5254762881795653526_n

দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই হাসপাতালের উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

৭৫০ শয্যার বিশেষায়িত এ হাসপাতালে সেবার পৃথক পাঁচটি কেন্দ্র থাকবে—জরুরি চিকিৎসাকেন্দ্র, হৃদ্‌রোগ ও স্নায়ুরোগ সেবাকেন্দ্র, হেপাটোবিলিয়ারি ও যকৃৎ প্রতিস্থাপনকেন্দ্র, কিডনি রোগকেন্দ্র এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এ ছাড়া থাকবে ১০০ শয্যার আইসিইউ শয্যা ও জরুরি চিকিৎসার ১০০ শয্যা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে এই হাসপাতালে রয়েছে ১০০টি আইসিইউ বেড।

ফার্মেসি ছাড়াও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার দোকান ও ব্যাংকিং সুবিধা হাসপাতালের মধ্যে থাকছে। চিকিৎসকদের জন্য পৃথক ক্যাফেটেরিয়া ছাড়াও থাকবে তিনটি ক্যাফেটেরিয়া। থাকবে লন্ড্রি হাউস এবং প্রায় ২৫০টি গাড়ি রাখার পার্কিং সুবিধা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগী ভর্তি, রোগীর তথ্য সংরক্ষণ, চিকিৎসা এবং সার্বিকভাবে হাসপাতালের নিরাপত্তায় তথ্য–প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

বিএসএমএমইউ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে সাতটি অনুষদে শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হয়। আছে ৪৬টি বিভাগ। প্রতিদিন হাসপাতালের বহির্বিভাগে সাত হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নেয়। আছে প্রায় দুই হাজার শয্যার একটি হাসপাতাল। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরও ৭৫০ শয্যা।

বিএসএমএমইউতে মানুষ উন্নত চিকিৎসা পায় ঠিকই, তবে সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ আছে। এ ব্যাপারে উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘নতুন ও পুরোনো দুটি হাসপাতাল চালানোর মতো জনবল আমাদের আছে। সমস্যা কিছু আছে, আস্তে আস্তে তা দূর হবে। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছি, যেন উন্নত চিকিৎসার জন্য মানুষ বিদেশমুখী না হয়।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পের অনুমোদন দেয় একনেক। ২০১৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে দশমিক শূন্য ১ শতাংশ সুদে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। ৩৩০ কোটি টাকা দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বাকি টাকা আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে।

জিবাংলা টেলিভিশনের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে ফলো করুন ফেসবুক গুগল প্লে স্টোর থেকে Gbangla Tv অ্যাপস ডাউনলোড করে উপভোগ করুন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর