সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন

রহস্যে ঘেরা ইসরাইল-তুরস্ক সম্পর্ক এখন প্রকাশ্যে এলো

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২
4c0r53133eac4221go3_800C450

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ টেলিফোনালাপে দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নানা বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। এরই মধ্যে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী তুরস্কের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং এরই অংশ হিসেবে তুরস্ক ও ইসরাইল পরস্পরের রাজধানীতে রাষ্ট্রদূত পাঠানোর খবর দিয়েছেন।

বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান গত দুই দশক ধরে ইসরাইলের আগ্রাসন ও অপরাধযজ্ঞের মোকাবেলায় ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি সমর্থন দেয়ার দাবি করে আসছে। এমনকি প্রেসিডেন্ট এরদোগান তার দাবির সমর্থনে লোক দেখানো কিছু কাজও করেছে। এ কারণে ধারণা করা হয় ইসরাইলের বিরুদ্ধে এরদোগান যত বড় কথাই বলুক না কেন এসবেরই উদ্দেশ্য জনমতকে ধোঁকা দেয়া।

বাস্তবতা হচ্ছে, গত  দুই দশকে এরদোগান ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে শুধু ফাকা বুলি ছেড়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করেনি। তুরস্কের গণমাধ্যমগুলোই এ কথা ফাঁস করে দিয়েছে যে তুরস্ক ও ইসরাইল আর্থ-রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও সামরিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে গোপনে আলোচনা চালিয়ে আসছে। রাষ্ট্রদূত পাঠানোর মাধ্যমে সেই সম্পর্কটা এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

আরো দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে, গত কয়েক বছরে তুরস্ক সরকার সেদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক নেতাদের যাবতীয় তথ্য ইসরাইলকে সরবরাহ করেছে বলে ব্যাপকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ইসরাইল যখন খুব দুর্বল অবস্থায় এসে পৌঁছেছিল ঠিক তখন এরদোগান সরকার ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পদক্ষেপ নেয় এবং এভাবে সমূহ বিপদ তথা পতনের হাত থেকে ইসরাইলকে উদ্ধার করে। এরই অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট এরদোগান ইসরাইলের প্রেসিডেন্টকে আঙ্কারা সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তুরস্কের জনগণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান যখন ইসরাইলের প্রেসিডেন্টকে সাদর অভ্যর্থনা জানান তখন তুরস্কের বিভিন্ন শহরের জনগণ ইসরাইলের প্রেসিডেন্টের সফরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। কেননা এরদোগানের এ পদক্ষেপ থেকে ফিলিস্তিনিদের ব্যাপারে তার দ্বিমুখী চরিত্রের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেছে। এরদোগান সরকার এমন সময় ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার পদক্ষেপ নিল যখন এ অঞ্চলের বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশের সাথে তুরস্কের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে এবং এ সম্পর্ক উন্নত করার কোনো চেষ্টাও তারা করছে না। এ অবস্থায় তুরস্কের রাজনৈতিক মহল থেকে বলা হচ্ছে, ২০২৩ সালে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার জন্যই এরদোগান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের পদক্ষেপ নিয়েছে।

যাইহোক, ইসরাইল ও তুরস্ক এমন সময় সম্পর্ক উন্নয়নে পদক্ষেপ নিল যখন মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মহল মনে করছেন, এতে করে ফিলিস্তিনিরা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ওআইসিও তার অবস্থান হারাবে। অন্যদিকে বর্ণবাদী ইসরাইলের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে। এ কারণে এরদোগানের এ পদক্ষেপ মুসলিম বিশ্বের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।#

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ টেলিফোনালাপে দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নানা বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। এরই মধ্যে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী তুরস্কের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং এরই অংশ হিসেবে তুরস্ক ও ইসরাইল পরস্পরের রাজধানীতে রাষ্ট্রদূত পাঠানোর খবর দিয়েছেন।

বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান গত দুই দশক ধরে ইসরাইলের আগ্রাসন ও অপরাধযজ্ঞের মোকাবেলায় ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি সমর্থন দেয়ার দাবি করে আসছে। এমনকি প্রেসিডেন্ট এরদোগান তার দাবির সমর্থনে লোক দেখানো কিছু কাজও করেছে। এ কারণে ধারণা করা হয় ইসরাইলের বিরুদ্ধে এরদোগান যত বড় কথাই বলুক না কেন এসবেরই উদ্দেশ্য জনমতকে ধোঁকা দেয়া।

বাস্তবতা হচ্ছে, গত  দুই দশকে এরদোগান ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে শুধু ফাকা বুলি ছেড়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করেনি। তুরস্কের গণমাধ্যমগুলোই এ কথা ফাঁস করে দিয়েছে যে তুরস্ক ও ইসরাইল আর্থ-রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও সামরিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে গোপনে আলোচনা চালিয়ে আসছে। রাষ্ট্রদূত পাঠানোর মাধ্যমে সেই সম্পর্কটা এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

আরো দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে, গত কয়েক বছরে তুরস্ক সরকার সেদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক নেতাদের যাবতীয় তথ্য ইসরাইলকে সরবরাহ করেছে বলে ব্যাপকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ইসরাইল যখন খুব দুর্বল অবস্থায় এসে পৌঁছেছিল ঠিক তখন এরদোগান সরকার ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পদক্ষেপ নেয় এবং এভাবে সমূহ বিপদ তথা পতনের হাত থেকে ইসরাইলকে উদ্ধার করে। এরই অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট এরদোগান ইসরাইলের প্রেসিডেন্টকে আঙ্কারা সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তুরস্কের জনগণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান যখন ইসরাইলের প্রেসিডেন্টকে সাদর অভ্যর্থনা জানান তখন তুরস্কের বিভিন্ন শহরের জনগণ ইসরাইলের প্রেসিডেন্টের সফরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। কেননা এরদোগানের এ পদক্ষেপ থেকে ফিলিস্তিনিদের ব্যাপারে তার দ্বিমুখী চরিত্রের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেছে। এরদোগান সরকার এমন সময় ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার পদক্ষেপ নিল যখন এ অঞ্চলের বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশের সাথে তুরস্কের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে এবং এ সম্পর্ক উন্নত করার কোনো চেষ্টাও তারা করছে না। এ অবস্থায় তুরস্কের রাজনৈতিক মহল থেকে বলা হচ্ছে, ২০২৩ সালে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার জন্যই এরদোগান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের পদক্ষেপ নিয়েছে।

যাইহোক, ইসরাইল ও তুরস্ক এমন সময় সম্পর্ক উন্নয়নে পদক্ষেপ নিল যখন মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মহল মনে করছেন, এতে করে ফিলিস্তিনিরা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ওআইসিও তার অবস্থান হারাবে। অন্যদিকে বর্ণবাদী ইসরাইলের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে। এ কারণে এরদোগানের এ পদক্ষেপ মুসলিম বিশ্বের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।#

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর