স্কুলের ভেতর তুলে নিয়ে কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ

  • বাংলাদেশ সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৭১০ প্রিয় পাঠক, সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন

গাজীপুরে কাশিমপুর এলাকায় ব্র্যাক স্কুলের ভেতর তুলে নিয়ে এক কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কিশোরীর মা বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কাশিমপুর থানায় মামলা করেছেন।

মামলায় দুই জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, নওগাঁ সদর থানার রজাকপুর এলাকার মো. নজরুল ইসলাম লিটনের ছেলে সম্রাট হোসেন শান্ত এবং একই থানার ভবানীপুর এলাকায় মো. আলীম হোসেন আলেকের ছেলে শাকিল আহম্মেদ। তারা গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন তেঁতুইবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর থানাধীন তেঁতুইবাড়ী এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বাসা থাকে ওই কিশোরী। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁয়।

বুধবার সকালে কিশোরীর মা-বাবা কর্মস্থলে যায়। তখন ওই কিশোরী বাসায় একাই ছিল। বুধবার দুপুরে সে প্রতিবেশী এক শিশুকে খুঁজতে বাসা থেকে বের হয়। পথে মো. সম্রাট হোসেন ওরফে শান্ত (২০) পেছন থেকে ওই কিশোরীকে ডাক দেয়।

তার ডাকে সাড়া না দিয়ে দৌড়ে বাসায় ফেরার চেষ্টা করে কিশোরী। এ সময় সম্রাট হোসেন ও শাকিল আহম্মেদ জোর করে ওই কিশোরীকে পাশের একটি টিনশেডের ব্র্যাক স্কুলের ভেতর তুলে নিয়ে যায়। পরে পালাক্রমে সম্রাট হোসেন ও শাকিল আহম্মেদ ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

কিশোরীর চিৎকারে প্রতিবেশী কয়েকজন নারী তাকে উদ্ধার করে। সন্ধ্যায় ওই কিশোরীর মা ও বাবা বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি জানতে পারেন। বৃহস্পতিবার সকালে কিশোরীর মা বাদী হয়ে কাশিমপুর থানায় সম্রাট হোসেন শান্ত ও শাকিল আহম্মেদকে আসামি করে মামলা করেছেন।

কাশিমপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কিশোরীকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আপনার ফেসবুকে শেয়ার করে জিবাংলার সাথেই থাকুন

জিবাংলা টেলিভিশনের অন্যান্য সংবাদ

বেক্সিমকো ঢাকার মতো তারকাখচিত দল জেমকন খুলনাও পাত্তা পেল না গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের কাছে।

চট্টগ্রামের তারকা বোলার মোস্তাফিজের কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহরা।

জেমকন খুলনা ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।

এ জয়ের মূল নায়ক মোস্তাফিজুর রহমান। ৩.৪ ওভার বল করে মাত্র ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট।

গত দুই ম্যাচে খুলনার সফলতম ব্যাটসম্যান আরিফুলসহ শামীম, রিশাদ ও আলআমিনকে কম রানেই সাজঘরে ফিরিয়েছেন মোস্তাফিজ।

তবে খুলনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নিয়েছেন নাহিদুল ইসলাম। সাকিবকে মাত্র ৩ রানে ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে মাত্র ১ রানে ফেরান নাহিদুল।

চট্টগ্রামের এই দাপুটে বোলিংয়ে ১৭.৫ ওভারে ৮৬ রানেই গুটিয়ে যায় জেমকন খুলনার ইনিংস।

৮৭ রানের মামুলি টার্গেটে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।

যেই উইকেটে খুলনার ব্যাটসম্যানরা হাত খুলে মারতেই পারেনি, সেই উইকেটেই রানের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন চট্টগ্রামের ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার।

আল আমিন, শামীম ও হাসান মাহমুদদের তুলোধুনো করে ৪৬ বলে ৫৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার লিটন দাস।

অন্যদিকে কিছুটা মন্থর গতিতে ২৯ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলেন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার।

জেমকন খুলনার পক্ষে একমাত্র সাফল্য সৌম্যের উইকেট। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর হাতে ধরা দেন তিনি।

সৌম্য ফিরে গেলে মুমিনুল হল ৭ বলে ৫ রান করলে মাত্র ১৩.৪ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম।

এর আগে টস জিতে নিয়মিত ওপেনার ইমরুল কায়েসকে তিনে পাঠিয়ে ওপেনিংয়ে নামেন সাকিব।

গত দুই ম্যাচের মতো আজকেও ইনিংস বড় করতে পারেননি সাকিব।

শুরুতেই ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হন ৬ বলে ৬ রান করা বিজয়। ৭ বলে মাত্র ৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাকিবও।

নাহিদুল ইসলামের বোলিংয়ে মিড অন ও লং অনের মাঝামাঝি জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা মোসাদ্দেক সৈকতের ক্যাচে পরিণত হন সাকিব।

সাকিবের পর পরই মাত্র ১ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। মাত্র ২ টেকেন তিনি। তাকে লেগবিফোরের ফাঁদে ফেলেন নাহিদুল।

দলের হাল ধরার চেষ্টা করে তিনে নামা ইমরুল কায়েস। ২৬ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
অন্যদিকে তাকে সঙ্গ দেয়া জহুরুল অমি ১৪ বলে ১৪ রান করে আউট হন।

আজ আরিফুল হকও বেশি দূর যেতে পারেননি। একপ্রান্ত আগলে রেখে ৩০ বল টিকে থাকলেও রান করেছেন মাত্র ১৫ ।

ইনিংসের ১৮তম ওভারে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে মোস্তাফিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন আরিফুল। এরপর বোলার আলআমিনকেও দ্রুতই ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজ।

১৭.৫ ওভারে ৮৬ রান করতেই থেমে যায় জেমকন খুলনার ইনিংস।

চট্টগ্রামের পক্ষে বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচায় ২ উইকেট নেন নাহিদুল।

তাইজুলও ২টি উইকেট পেয়েছেন। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। মাত্র ৫ রান দিয়ে মোস্তাফিজ নিয়েছেন ৪ উইকেট।

লিটন-সৌম্যর ব্যাটে উড়ে গেল চট্টগ্রাম

Close